Angenta, Frenxit — এগুলো প্রেশারের ওষুধ নয়

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ভুলভাবে ব্যবহৃত ওষুধগুলোর একটি হলো Flupentixol + Melitracen (Angenta, Frenxit, Renxit, Sensit ইত্যাদি)। মাথা ঘোরা, ঘাড় ব্যথা, বুক ধড়ফড় করা, “প্রেশার বেড়ে গেছে”, টেনশন, ঘুম কম হওয়া—প্রায় সব সমস্যাতেই অনেক রোগী বছরের পর বছর এই ওষুধ খেয়ে যাচ্ছেন। প্রথমেই একটি বিষয় পরিষ্কার করা দরকার— এটি উচ্চ রক্তচাপের (High Blood Pressure) ওষুধ নয়। […]

Angenta, Frenxit — এগুলো প্রেশারের ওষুধ নয় Read More »

অস্টিওআর্থ্রাইটিসে সবচেয়ে বড় ভুল ধারণা—”একটা ভালো ওষুধ পেলেই হাঁটু ঠিক হয়ে যাবে”

প্রতিদিনই অনেক রোগী আসেন একটি প্রশ্ন নিয়ে—”ডাক্তার সাহেব, হাঁটুর জন্য সবচেয়ে ভালো ওষুধটা লিখে দিন।” আসলে এখানেই সবচেয়ে বড় ভুল ধারণা। অনেকেই মনে করেন, অস্টিওআর্থ্রাইটিসের জন্য নিশ্চয়ই এমন কোনো শক্তিশালী ওষুধ আছে, যা কয়েক মাস খেলেই হাঁটুর ক্ষয় পূরণ হয়ে যাবে বা ব্যথা স্থায়ীভাবে ভালো হয়ে যাবে। বাস্তবে এমন কোনো ওষুধ এখনো নেই। অস্টিওআর্থ্রাইটিস একটি

অস্টিওআর্থ্রাইটিসে সবচেয়ে বড় ভুল ধারণা—”একটা ভালো ওষুধ পেলেই হাঁটু ঠিক হয়ে যাবে” Read More »

শুধু রিপোর্ট দেখে চিকিৎসা করা যায় না

অনেকেই আমাকে শুধু একটি রিপোর্ট পাঠিয়ে বলেন—”ডাক্তার সাহেব, ওষুধ লিখে দিন” অথবা “রিপোর্ট দেখে বলুন আমার কী রোগ হয়েছে।” আসলে চিকিৎসাবিজ্ঞান এতটা সহজ নয়। রিপোর্ট সম্পূর্ণ স্বাভাবিক থাকলেও একজন মানুষের গুরুত্বপূর্ণ রোগ থাকতে পারে। আবার কোনো রিপোর্টে কিছু অস্বাভাবিকতা থাকলেও রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ থাকতে পারেন বা সেটি চিকিৎসার প্রয়োজন নাও হতে পারে। কারণ, একটি রিপোর্ট

শুধু রিপোর্ট দেখে চিকিৎসা করা যায় না Read More »

হাঁপানির প্রথম চিকিৎসা মন্টেলুকাস্ট নয়, ইনহেলার

বাংলাদেশে হাঁপানি (Asthma) চিকিৎসা নিয়ে সবচেয়ে প্রচলিত ভুল ধারণাগুলোর একটি হলো—মন্টেলুকাস্ট (Monas/Montelukast) খেলেই হাঁপানি নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। বাস্তবতা হলো, মন্টেলুকাস্ট কোনোভাবেই অধিকাংশ হাঁপানি রোগীর প্রথম বা প্রধান চিকিৎসা নয়। বর্তমান গাইডলাইন অনুযায়ী, হাঁপানির মূল চিকিৎসা হচ্ছে ইনহেলারভিত্তিক ওষুধ, বিশেষ করে ইনহেলড কর্টিকোস্টেরয়েড (ICS)-যুক্ত ইনহেলার। তাহলে মন্টেলুকাস্টের এত ব্যবহার কেন? মন্টেলুকাস্ট একটি Leukotriene receptor antagonist। এটি

হাঁপানির প্রথম চিকিৎসা মন্টেলুকাস্ট নয়, ইনহেলার Read More »

স্থুলতা নিয়ে ব্যক্তিগত তিক্ত অভিজ্ঞতা

উচ্চতা অনুযায়ী আমার ওজন হওয়া উচিত ৭৭ বা ৭৮ কেজি। কোভিডের কোয়ারেন্টাইন, বিবাহ-পরবর্তী দাওয়াত – সব মিলিয়ে ওজন বেড়ে হঠাৎ করে ৯০ কেজি হয়ে গেলো। ৯০ কেজি ওজন নিয়ে প্রতিটা দিন কীভাবে যেত আমি জানি। প্রথম যে সমস্যা তৈরি হলো সেটা হচ্ছে অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া। অর্থাৎ ঘুমের মধ্যে নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়া। ঘুমের ব্যাঘাতের কারণে

স্থুলতা নিয়ে ব্যক্তিগত তিক্ত অভিজ্ঞতা Read More »

পন্ডিত পল্টু সমাচার

আমাদের সমাজে এক শ্রেণীর পন্ডিত পল্টু জনগন আছেন। এই পন্ডিতরা 120nm ডায়ামিটারের এইচআইভি ভাইরাসের চেয়েও ভয়ংকর, 1 nm দৈর্ঘ্যের মাইকোব্যাকটেরিয়ামের চেয়েও ক্ষতিকর।   এইডসে কতজন মারা যাচ্ছে তার খতিয়ান আছে, হার্ট অ্যাটাকে কতজন মারা যাচ্ছে তার খতিয়ান আছে, সড়ক দুর্ঘটনায় কতজন মারা যাচ্ছে তারও হিসাব আছে। কিন্তু এইসব পন্ডিত পল্টুর জন্য কতজনের সর্বনাশ হয়ে যাচ্ছে

পন্ডিত পল্টু সমাচার Read More »

ভাইরাল প্রসঙ্গ – ফ্যাটি লিভার এবং ভাইরাল হেপাটাইটিস

লিভার সংক্রান্ত জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে একজন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে যাওয়ার পর অনেকেই ফ্যাটি লিভার নিয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। ফেসবুকে ভাইরাল কিছু পোস্টে দেখা যাচ্ছে, কেউ কেউ তার সংকটাপন্ন অবস্থার জন্য ফ্যাটি লিভারকে দায়ী করছেন।বিষয়টি আসলে তা নয়।ফ্যাটি লিভার একটি নীরব রোগ। দীর্ঘদিন ধরে ধীরে ধীরে লিভারে চর্বি জমতে থাকে। এর ফলে ক্ষতিকর রাসায়নিক

ভাইরাল প্রসঙ্গ – ফ্যাটি লিভার এবং ভাইরাল হেপাটাইটিস Read More »